মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩rd নভেম্বর ২০১৯

প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে শিক্ষকদের প্রতি ইউজিসি চেয়ারম্যানের আহবান


প্রকাশন তারিখ : 2019-11-03

 

প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে শিক্ষকদের প্রতি ইউজিসি চেয়ারম্যানের আহবান

প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ। দ্রুত বিকাশমান ও পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে না পারলে শিক্ষক সমাজ পিছিয়ে যেতে পারে বলে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করছেন। প্রযুক্তি নির্ভর চতুর্থ শিল্প বিল্পবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষকদের ব্যাপক ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০১৯ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে ইউজিসিতে আয়োজিত আজ (৩১ অক্টোবর ২০১৯ তারিখ) এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ প্রণয়ন কমিটির সদস্য ও বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদ্যাপন জাতীয় কমিটির সমন্বয়ক অধ্যক্ষ কাজী ফারুক আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও গ্লোবাল ক্যাম্পেইন ফর এডুকেশন এর প্রতিনিধি রাশেদা কে চৌধুরী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এম এ মান্নান এবং ইউসেপ বাংলাদেশ এর নির্বাহী পরিচালক তাহসিনা আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, শিক্ষকরা হচ্ছে জাতির পথপদর্শক। তারা সঠিক কাজ করতে না পারলে সমাজ অন্যভাবে চালিত হবে। একজন ভাল শিক্ষক সমাজে কাক্সিক্ষত পরিবর্তন আনতে পারেন বলে তিনি মনে করেন। শিক্ষকদেরকে শতভাগ অঙ্গিকারবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন শিক্ষকরা দেশের ভবিষ্যৎ নির্দেশনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। এছাড়া, তিনি ছাত্র-শিক্ষক সর্ম্পক বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী প্রাথমিক শিক্ষার মান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বরোপ করেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মান ভালো না হওয়ার কারণে শিক্ষার উপরের স্তরের মান কাক্সিক্ষত হচ্ছে না। যার ফলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে কাক্সিক্ষত ফল পাচ্ছে না।

সমাজে শিক্ষকদের মর্যাদা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষকদেরকে তিনি গাইড বই পড়ানো ও কোচিং থেকে বিরত থাকার আহবান জানান। পরীক্ষা-কেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা সমাজে সমস্যা তৈরি করছে বলে তিনি জানান। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে শিক্ষার আনন্দময় পরিবেশ ও নৈতিক শিক্ষার ওপর তিনি গুরুত্বরোপ করেন।

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এম এ মান্নান বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় হযবরল অবস্থা বিরাজ করছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে একটি কার্যকরী পদ্ধতি চালু করা প্রয়োজন।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম বলেন, ইউজিসিকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। দেশের ৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে ইউজিসি কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে ৪৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এ বিশাল কর্মযজ্ঞ ৭২’এর ইউজিসি দিয়ে দেখভাল করা সম্ভব নয়। ইউজিসিকে যথেষ্ট ক্ষমতা দিয়ে একটি উচ্চশিক্ষা কমিশন গঠন করা প্রয়োজন। শিক্ষায় সংস্কার ও জবাবদিহিতা আনায়নে এটি জরুরি। তিনি আরও বলেন, ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় মানবসম্পদ উন্নয়নে সরকার সর্বাধিক বরাদ্দ প্রদান করবে। কারণ, রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে মানবসম্পদ উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই।


Share with :

Facebook Facebook